ধর্ষণ জোরপূর্বক করেছে কিনা বা সম্মতিক্রমে হয়েছে তা টেস্টের পর জানা যাবে: পুলিশ

Rape
ফাইল ছবি

রাজধানীর কলাবাগানে অবস্থিত ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল মাস্টারমাইন্ডের ‘ও’ লেভেল পড়ুয়া ছাত্রী আনুশকাহ নূর আমিনকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আনুশকাহর বয়ফ্রেন্ড দিহানসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

দিহান জোরপূর্বক ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেছে কিনা বা সম্মতিক্রমে যৌনকর্ম করেছে তা ফরেনসিক ও সোয়াব টেস্টের পর জানা যাবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির রমনা জোনের ডিসি মো. সাজ্জাদুর রহমান। আজ শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে এক ব্রিফিং-এ এমনটা বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, এর পেছনে অন্যকেউ ছিলো কিনা সেটাও ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। সুরতহালে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ‘ও’ লেভেলের ছাত্রীর শরীরের অন্য কোথাও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

- Advertisement -

এর আগে, বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর কলাবাগানের ডলফিন গলির এক বাসায় রাজধানীর ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ‘ও’ লেভেলের ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর এক সহপাঠীকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, আটক ফারদিন ইফতেখার দিহান গ্রুপ স্টাডির কথা বলে তাকে বাসায় ডেকে নেয়। পরে অসুস্থতার কথা বলে দিহান নিজেই গাড়ি চালিয়ে ওই ছাত্রীকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নেয়। ডাক্তাররা জানান, তার আগেই ওই ছাত্রী মারা যায়। অভিযুক্তরাই পুলিশকে ফোন দিয়ে এ ঘটনার কথা জানায়। পরে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের হেফাজতে নেয়া হয়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বলেন, আমার মেয়ের এ বছর ও লেভেল পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। পরীক্ষার সাজেশন দেয়ার কথা বলে ওকে ডেকে নিয়ে যায়। তিনি আরো বলেন, ওরাই আমাকে ফোন দিয়ে বলেছে আন্টি ও (ভূক্তভোগী) অসুস্থ। তখন আমি বলেছি ভালো মেয়ে গেল, অসুস্থ কীভাবে হয়েছে। বলেছে আমাদের সঙ্গেই ছিল তবে এখন সেন্সলেস হয়ে পড়েছে। পরে ওরাই আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতাল এ নিয়ে যায়। আমি হাসপাতালে পৌঁছার আগেই আবার ফোন দিয়ে বলে ও (ভূক্তভোগী) মারা গেছে। হাসপাতালে গিয়ে দেখি মেয়েটার প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

আপনার মতামত দিন
- Advertisement -