প্রেমের ফাঁদে ফেলে আসামিকে গ্রেফতার করল পুলিশ

নোয়াখালীর সেনবাগে বান্ধবীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আসা এক প্রবাসীর স্ত্রীকে (২২) ধর্ষণের ঘটনায় এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মো. আইমুন ভূঞা (২৬) উপজেলার কাদরা ইউনিয়নের নন্দীর পাড় এলাকার মো. মোস্তফার ছেলে।

বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গ্রেফতারকৃত আসামিকে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে, গতকাল (১ সেপ্টেম্বর) বুধবার রাতে চট্রগ্রামের পতেঙ্গা সীবিচ এলাকা থেকে সেনবাগ থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

- Advertisement -

সেনবাগ থানা সূত্রে জানা যায়, প্রথমে ধর্ষক আইমনকে এক নারীর প্রেমের ফাঁদে ফেলে পুলিশ। পরে ওই নারীর সাথে সে চট্রগ্রামের সীবিচ এলাকায় দেখা করতে গেলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাতেন মৃধা দৈনিক অধিকারকে জানান, এ ঘটনায় ফাহাদকে প্রধান আসামি করে ৩ জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন নির্যাতিতা গৃহবধূ। ওই মামলার ৩ নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিচারিক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২০ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে ভুক্তভোগী গৃহবধূ তার বান্ধবীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যান। জন্মদিনের কেক কাটার পর স্থানীয় লেদু মিয়ার ছেলে ফরহাদের নেতৃত্বে ৫/৭ জন লোক ওই বাড়িতে আসেন। এ সময় তারা অনুষ্ঠানে আসা গৃহবধূর সাথে রাজন নামে এক যুবকের সম্পর্ক আছে বলে অভিযোগ তুলে তাদেরকে ফরহাদের বিল্ডিংয়ে নিয়ে আটক করে। একপর্যায়ে বিশ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয় তাদের কাছ থেকে। রাজন চাঁদা দিতে অস্বীকার করে বিভিন্ন জায়গায় ফোনে যোগাযোগ করলে কিছুক্ষণ পর রাজনকে ছেড়ে দেয়ার জন্য ফোন আসলে তারা রাজনকে ছেড়ে দেয়। কিন্ত গৃহবধূকে আটকে রেখে কুপ্রস্তাব দেয় সন্ত্রাসীরা। তাতে রাজি না হওয়ায় রুমের দরজা বন্ধ করে সন্ত্রাসী ফরহাদ জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় তার সাঙ্গপাঙ্গরা বাহিরে পাহারা দেয় বলে জানা যায়।

পরে সোমবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে এ ঘটনায় নির্যাতিত গৃহবধূ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সেনবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

আপনার মতামত দিন
- Advertisement -