মেরুরচর ইউ,পি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ (ভিডিও’সহ)

jehad
মেরুরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম জেহাদ।

জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম জেহাদের বিরুদ্ধে একের পর এক বানোয়াট ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করায় মেরুরচর ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ ক্ষোভ ও ঘৃণা প্রকাশ করেছে।

গতকাল সোমবার ওই ইউনিয়নের সাধারণ শ্রেণি পেশার মানুষের উদ্দ্যোগে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিথ্যা সংবাদ প্রকাশে যারা জড়িত তারা এবং তাদের দোষরদের এই অপতৎপরতা ও অপপ্রচারের জন্য তীব্র নিন্দা ও শাস্তি দাবি করা হয়।

- Advertisement -

সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে আমাদের স্থানীয় লোকজন এবং আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা দেওয়ানগঞ্জ নিউজকে জানান, অত্র ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ দলীয় চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান জেহাদ দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে পরিষদের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।

উল্লেখ্য যে, তিনি শেরপুর সরকারি কলেজের ভি,পি ছিলেন। এছাড়া তিনি বকশিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম সদস্য এবং আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সংগঠনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে জয় লাভ করেন। তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সংখ্যা গরিষ্ট ইউপি সদস্যদের সহযোগিতায় এলাকার রাস্তাঘাট, ব্রীজ কালভার্ট, ঈদগাহ মাঠ, পাবলিক টয়লেট, মন্দির-মসজিদ ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষ রোপণ করে এলাকার উন্নয়নে নজির স্থাপন করেন। তিনি বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী, দু:স্থ মাতা, রেশন কার্ডসহ বিভিন্ন সরকারি ভাতা অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ব্যতিরেখে জনগণের মাঝে বিতরণ করে সুনাম অর্জন করেছেন। তিনি কোন প্রকার ভাতা প্রদানে অর্থ নেন না, তিনি এই সব বিষয়ের অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেন। এব্যাপারে চেয়ারম্যানের সহকর্মী অধিকাংশ ইউপি সদস্যরাই তার কাজে সহযোগিতা করেছেন।

ইউ,পি সদস্যদের ভেতর ১-২ জন সদস্য বিভিন্ন সময় নানান দুর্নীতি ও অনৈতিক কাজ করতে গিয়ে চেয়ারম্যান এবং সাধারণ জনগণের বিরাগভাজন হন। এরপর থেকেই তারা এবং স্থানীয় কুচক্রী একটি মহল চেয়ারম্যান জেহাদের বিরুদ্ধে নানান অপপ্রচারে নামে। তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ দায়ের করেছে তা একেবারেই মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বিধায় অত্র এলাকার বাসিন্দারা এর তীব্র প্রতিবাদ জানান।

আরো জানা যায়, মূলতঃ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর ইন্ধনে সুবিধা নেয়ার জন্য জেহাদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিতভাবে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সে বিভিন্ন সময় টাকা পয়সার মাধ্যমে হলুদ সাংবাদিকতার প্রয়োগ ঘটান।

গত ১২ জুন একটি সম্প্রচার মাধ্যমে চেয়ারম্যান জেহাদকে নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ হলে, এর সত্যতা যাছাই করতে গিয়ে দেখা যায়, অত্র ইউনিয়নে নিয়মিত মাসিক সভার অনুষ্ঠান, ভূমি উন্নয়ন করের মাধ্যমে দৃশ্যমান প্রকল্প বাস্তবায়ন, এলজিসিএসপির প্রকল্পের অর্থ যথারীতি সভা ও নিয়মকানুন মেনে প্রকল্প দাখিল ও বাস্তবায়ন, এডিপি প্রকল্পের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের মতামত ও স্বাক্ষর নিয়ে প্রকল্প দাখিল, করোনাকালিন সময়ে বিভিন্ন ভর্তুকি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দ্বারা প্রস্তুত করে যথারীতি বিলিন করণ, ইউপি ট্যাক্সের টাকা যথাযথ হিসেবে জমা রাখা ও তার দ্বারা সদস্যদের মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদান, ইউনিয়নের ডিজিটাল সেন্টার ও সংশ্লিষ্ট সচিব জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন প্রস্তুত করেন এবং চালানের মাধ্যমে এ বাবদ আয় যথারীতি ব্যাংকে জমা রাখা হয়।

চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের ঘটনা অনুসন্ধানে গিয়ে আরও দেখা যায়, বকশিগঞ্জ পৌরসভার এক বাসিন্দা যিনি মেরুরচর ইউনিয়ন এর বাসিন্দা নন, তাকে দিয়ে চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে মান হানিকর বক্তব্য নেয়া হয়েছে।

এই বিষয়ে জানতে সেই ব্যাক্তির কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি পল্লী বিদুৎ এর মাইকিং করার জন্য এই এলাকায় এসেছিলেন, তখন তাকে শিখিয়ে দেওয়া হয় চেয়ারম্যান জেহাদের বিরুদ্ধে বলার জন্য।

এইসব বিষয়ে মেরুরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান জেহাদ দেওয়ানগঞ্জ নিউজকে জানান, একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে অনেক আগে থেকেই লেগেছিল, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কে ঘিরে তাদের দৌরাত্য বৃদ্ধি পেয়েছে। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। ছোট বেলা থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক। আমার তিন পুরুষ এই মেরুরচর ইউনিয়নের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এতটা ঠুনকো নয় যে, তাদের অপপ্রচারে কিছু হবে।আমি আমার ইউনিয়নের জনগণকে সাথে নিয়ে, ইউনিয়ন পরিষদ কে ঘিরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গৃহিত পদক্ষেপ,” গ্রাম হবে শহর” বাস্তবায়নে যা যা করনীয় সে সকল কাজ গুলো করে যাব।

টিভিতে সাক্ষাৎকার দেওয়া সেই ব্যাক্তির বক্তব্যঃ 

আপনার মতামত দিন
- Advertisement -