সরিষাবাড়ীর গারো পাহাড়ে সূচনা হচ্ছে চা আবাদের

tea
ফাইল ছবি

বাংলাদেশে চা উৎপাদনকারী এলাকা বলতে সিলেট বিখ্যাত। এ ছাড়া চট্টগ্রাম ও পঞ্চগড়েও চায়ের উৎপাদন হয়। চলতি মাসে বৃহত্তর ময়মনসিংহেও এই অর্থকরী ফসল উৎপাদনের জন্য ছোট পরিসরে একটি প্রকল্প নিয়েছে চা বোর্ড। এরই ধারাবাহিকতায় এবার জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে গারো পাহাড়ের এলাকায় উচ্চ ফলনশীল বিটি-২ জাতের চা আবাদের সূচনা করতে যাচ্ছে চা বোর্ড। ফলে এ অঞ্চলে সমতল ভূমিতে চা আবাদ সম্প্র্রসারণের নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলল।

বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও নর্দান বাংলাদেশ প্রকল্পের পরিচালক ড. মোহাম্মদ শামীম আল মামুন ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (মৃত্তিকা বিজ্ঞান) মো. নাঈম মোস্তফা আলীর সমন্বয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ টিম শনি ও রোববার সরিষাবাড়ী উপজেলা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা চা চাষের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য মৃত্তিকা নমুনা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন।

- Advertisement -

গতকাল রোববার সরিষাবাড়ী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ইউএনও শিহাব উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষি অফিস ও চা চাষে আগ্রহী কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সহজ উপায়ে কীভাবে লাভজনকভাবে চা আবাদ এবং গাছের পরিচর্যা করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করেন চা বোর্ডের বিশেষজ্ঞরা।

চা বোর্ডর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৭৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা ব্যয়ে এক হাজার ২৩৫ একর জমিতে ‘বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় ক্ষুদ্রায়তন চা চাষ উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ’ শিরোনামে একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় জামালপুরের সরিষাবাড়ী, বকশীগঞ্জ এবং জামালপুর সদর উপজেলার ১২৫ একর জমিতে চা আবাদ সম্প্রসারণ করা হবে। বৃহত্তর ময়মনসিংহের পাঁচটি জেলার ১৫টি উপজেলায় ১৩ হাজার ৬৪৫ একর জমিতে চা আবাদ সম্ভব। আবাদ শুরু হলে এ অঞ্চলে ১৬ দশমিক ৩৭ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হবে।

আপনার মতামত দিন
- Advertisement -